সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ৩ লাখের বেশি পদ খালি!

by SmartCareer
Government Jobs

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর ও অফিসে জনবলের 3,58,125টি পদ খালি রয়েছে।
প্রথম শ্রেণির পদ রয়েয়ে 43,336টি, দ্বিতীয় শ্রেণির 40,561টি, তৃতীয় শ্রেণির 1,51,548 টি, চতুর্থ শ্রেণির 1,22,680টি শূন্য পদ।

18 জানুয়ারি জাতীয় সংসদে সরকারি দলের সংসদ সদস্য কাজিম উদ্দিন আহম্মেদের এক প্রশ্নের জবাবে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী এ বিবৃতি প্রধান করেন। মাননীয় স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বৈঠকের শুরুতে প্রশ্নোত্তর টেবিলে বিষয়টি উপস্থাপিত হয়।

জনাব ফরহাদ হোসেন জানান,মন্ত্রণালয় থেকে সবশেষে প্রকাশিত ‘স্ট্যাটিসটিকস অব সিভিল অফিসার্স অ্যান্ড স্টাফস-২০২১’ বইয়ের (জুন, ২০২২) প্রকাশিত তথ্যের আলোকে, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অফিস, প্রতিষ্ঠান, অধিদপ্তর, পরিদপ্তর ও সরকারি অফিসে প্রথম শ্রেণির ৪৩,৩৩৬টি পদ, দ্বিতীয় শ্রেণির ৪০,৫৬১টি, তৃতীয় শ্রেণির ১,৫১ ,৫৪৮টি ও চতুর্থ শ্রেণির ১,২২,৬৮০টি শূন্য পদ রয়েছে।

মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব ফরহাদ হোসেন জানান, ৪০তম বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে ২০২২ সালে ১,৯২৯ জন নিয়োগ করা হয়েছে। ৪১তম বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষা চলমান। ৪২তম বিশেষ বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারে ৩,৯৬৬ সহকারী সার্জন নিযুক্ত করা হয়েছে। ৪৩তম বিএসএসের লিখিত পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নের কাজ চলমান রয়েছে। ৪৪তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা ১১ জানুয়ারি সমাপ্ত হয়েছে। আর আগামী মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহে ৪৫তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি টেস্টের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা আছে।

জনাব ফরহাদ হোসেন বলেন, আদালতে মামলা থাকার কারণে নিয়োগবিধি প্রণয়ন কার্যক্রম সমাপ্ত না হওয়ায় ও পদোন্নতির উপযুক্ত প্রার্থী না পাওয়ায় কিছু খালি পদ পূরণ করা সম্ভব হয়নি।

অপরদিকে জাতীয় পার্টির জাতীয় সংসদ সদস্য মুজিবুল হকের এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী সাহেব জানান, ৪০তম বিসিএসের নন-ক্যাডার পদে ৫,৪৩৬টি শূন্য পদের ফরমায়েশ পাওয়া গেছে। এগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে প্রকৃত সুপারিশযোগ্য শূন্য পদের সংখ্যা ঘোষণা আসবে।

এ ছাড়া সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য জনাব শামসুন নাহারের এক প্রশ্নের জবাবে স্ট্যাটিসটিকস অব সিভিল অফিসার্স অ্যান্ড স্টাফস-২০২১ প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে জনাব ফরহাদ হোসেন বলেন, দেশে সরকারি চাকরিজীবীর সংখ্যা ১৫,৫৪,৯২৭। এর মধ্যে নারী ৪,০৪,৫৯১; যা মোট চাকরিজীবীর প্রায় ২৬ শতাংশ। ২০১০ সালে এটি ছিল ২১ শতাংশ। তিনি জানান, প্রথম শ্রেণির পদে নারীদের জন্য আলাদা কোটা রাখার বিধান না থাকলেও ১৩ থেকে ২০তম গ্রেডে কর্মীসংস্থানে নারীদের জন্য ১৫ ভাগ কোটা সংরক্ষণ করা আছে।

সূত্র: প্রথম আলো

You may also like